Posts

Showing posts from June, 2022
Image
  কালার দেখার দ্বিতীয় উপদান হল Object কিংবা বস্তু। বস্তুর আকৃতি বা উপরিতলের উপর নির্ভর করে Light Source এবং Object এর মধ্যে কেমন Interaction হবে। এই Interaction আবার নির্ভর করে কি পরিমান আলো উক্ত বস্তু কর্তৃক শোষিত কিংবা প্রতিফলিত হবে। কোন বস্তু শুধুমাত্র আলো শোষণ কিংবা প্রতিফলন ছাড়াও বিক্ষিপ্ত ভাবে কতটুকু আলো প্রতিফলন করল তাও Color Measurement এর জন্য বিবেচনা করা হয়। সাধারণগত বস্তুর উপরিতল অসম হলে আলো বিক্ষিপ্ত হওয়ার পরিমান বাড়ে। কোন বস্তু কি পরিমান আলো শোষণ করবে, প্রতিফলন করবে কিংবা প্রতিসরণ করবে তার উপর ভিত্তি করে বস্তুকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। অস্বছ বস্তু (এর ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিসরণ খুবই কম হয়। যেমনঃ যে কোন নিট রঙ্গিন কাপড়) স্বচ্ছ বস্তু (এর ভিতর দিয়ে আলো প্রায় পুরোটাই প্রতিসরিত হয়। যেমনঃ পানি, কিংবা খুবই Low GSM কোন কাপড়) আধাস্বচ্ছ বস্তু (এর ভিতর দিয়ে আলো প্রায় অর্ধেক প্রতিসরিত হয়, যেমনঃ Low GSM স্যুটের কাপড়, Pocketing Fabric, Parachute Fabric ইত্যাদি) Textile Industry তে সাধারণত আধাস্বচ্ছ বা Translucent Object এর Color Measurement বা Shade Matching নিয়ে problem হয়। এই জন্য এই ...
Image
 #textilecolorscience  Industry Standard এর জন্য CIE কিছু Light Source কে নির্দিষ্ট করল। যেমন D65, A, F11 ইত্যাদি। এর মধ্যে D65 কে দিনের আলোর বিকল্প হিসাবে ধরা হয়। আমাদের Textile Industry তে এখনও অনেকে আছেন যারা দিনের আলোয় Shade Matching কে গুরুত্ব দেন। কিন্তু দিনের আলোর যে Limitation গুলো রয়েছে সেগুল বুঝতেই চান না। Standard Practice এর জন্য অবশ্যই Light Source কে Standard করতে হবে। আবার এমন হয় যে Light Box আছে কিন্তু light box এর Light গুলো ১০০০ ঘণ্টার বেশী সময় ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে (Standard Run Time-1000 hours) এতে করেও সঠিক রেজাল্ট পাওয়া যায় না।
Image
  কোন আলোক উৎসের Color Temperature যত কম হবে, ঐ Color তত লালচে হবে। যত Color Temperature বাড়তে থাকবে, ঐ Color তত নীলাভ হবে.
Image
  প্রতিটা আলোক উৎসের আলাদা আলাদা Color আছে। একেই Color Temperature বলে। কোন একটা আলোক উৎসের Color Temperature জানতে হলে Black Body নামাক একটি Body আছে যাকে তাপ প্রয়োগ করে উত্তপ্ত করা হয় যতক্ষণ না Black Body থেকে একইরকম Color নির্গত না হয়। যত তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ঐ Black Body থেকে একই রকম Color নির্গত হবে তাকে ঐ Color এর Color Temperature বলে। একে Kelvin দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমনঃ কোন একটি নির্দিষ্ট আলোক উৎসের Color Temperature জানার জন্য Black Body কে 6500 Kelvin তাপ প্রয়োগ করলে যদি Black Body থেকে নির্গত আলোর রং উক্ত নির্দিষ্ট আলোক উৎসের রঙের সাথে মিলে যায় তবে ঐ আলোক উৎসের Color Temperature হল 6500 kelvin। প্রাকৃতিক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোক উৎস হল সূর্য। কিন্তু দিনের বিভিন্ন সময় সূর্যের আলোক বিভিন্ন হয়।
Image
  কালার দেখার প্রধান উপাদান গুলোর মধ্যে আলোর উৎস অন্যতম। প্রাকৃতিক উৎস ছাড়াও কৃত্রিমভাবে আলোকে বিভিন্ন ভাবে তৈরি করা যায়। যেমন ১. কোন বস্তু থেকে আলো বের না হওয়া পর্যন্ত তাপ দেওয়া (বৈদ্যুতিক বাতি) ২. আর্ক ব্যবহার করে পরমাণুকে উদ্দীপ্ত করা ৩. নির্দিষ্ট গ্যাসের মধ্যে বিদ্যুৎ নিরগত করা (XENON Light) ৪. একটি Diode এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা (LED Light)
Image
  আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে কেন রাস্তার হলুদ আলোতে আমাদের পোশাকের রং পরিবর্তিত হয়? কিংবা রাস্তা থেকে সন্ধ্যার পর কিনা পোশাকের রঙ্গের সাথে বাসায় এসে দেখা ঐ একই পোশাকের রং এর পার্থক্য হয়? সাদা রঙ্গের আলো ছাড়া অন্য যে কোন রঙ্গের আলোতে কোন না কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো অনুপস্থিত থাকে। যেমন সবুজ রঙ্গের আলোতে লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো অনুপস্থিত থাকে। তাই সবুজ রঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোতে যখন কোন কালার দেখা হয় তখন ঐ কালারের লাল রং আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। তাই বাসায় ঐ কালারের পোশাক কিনে আনলে রঙের তারতম্য ঘটে। এই জন্য, মাছের বাজার কিংবা রাস্তায়, সাদা রঙের আলোয় কেনাকাটা করা উচিত।
Image
কখনো কখনো আপালের রং কালো হতে পারে, ভাবছেন কিভাবে? তাহলে শুনুন, যখন লাল রঙ্গের কোন আপেলকে সবুজ কিংবা নীল রঙ্গের আলোর নিচে রাখা হয়, তখন সবুজ বা নীল রঙ্গের সকল আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্য আপেল শোষণ করে নেয়। কিন্তু যেহেতু সবুজ এবং নীল রঙ্গের আলোর মধ্যে লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নেই, তাই আপেলের লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকে প্রতিফলিত করতে পারে না। এইজন্যই আমরা সবুজ কিংবা নীল আলোতে আপেলকে লাল না দেখে কালো দেখি। মনে রাখতে হবে, সাদা রঙ্গের আলোতে সকল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো রয়েছে। যেহেতু আপেলের প্রাকৃতিক রং লাল, তাই সাদা রঙ্গের আলো আপেলের উপর পড়লে লাল ছাড়া অন্য সকল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো আপেল শোষণ করে, শুধু লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলন করে। তাই সাদা আলোর নিচে আপেলের রং লাল। কিন্তু আপেলের প্রাকৃতিক রং লাল হলেও ভিন্ন ভিন্ন রঙ্গের আলোয় আপেলের রং ভিন্ন ভিন্ন মনে হবে।
Image
  পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিবেচনা করলে, মানুষের চোখে দৃশ্যমান তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিমান খুবই সামান্য! যেমন আমরা Ultra Violet Ray, Infrared Ray, Gama Ray, X-Ray, Radio Ray ইত্যাদি দেখতে পাই না। কোন আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে 400 nm থেকে 700 nm পর্যন্ত হলেই কেবলমাত্র আমরা কোন আলো দেখতে পাই।
Image
  তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিবেচনা করে, রংধনুর সাত রংকে সাজালে আমরা পাই, ১. বেগুনী-400-450 nm ২. নীল-450-500 nm ৩. আসমানি-500-550 nm ৪. সবুজ-550-580 nm ৫. হলুদ-580-600 nm ৬. কমলা- 600-650 ৭. এবং লাল—650-700
Image
  ১৯৬৬ সালে, বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন সূর্যের আলোকে একটি প্রিযমের মধ্যে দিয়ে সঞ্চালন করলেন এবং দেখলেন যে ঐ আলো আলদা আলাদা সাত রং হিসাবে ভাগ হয়ে গেল। আর তিনি ঐ সাত রংকে পরীক্ষা করে দেখলেন যে তা রংধনুর সাত রঙের সাথে মিলে যায়। আর ঐ সাত রং হল বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল (বেনিআসহকলা)
Image
  কোন বস্তুর কালার দেখার মূল তিনটি উপাদানের কোন একটির পরিবর্তনের কারনে ফলাফল ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণ হিসাবে আমরা বলতে পারি, যদি আলোক উৎস হিসাবে সূর্যের পরিবর্তে চাঁদের আলোতে আমরা কোন কালারকে দেখি, তবে ঐ কালারটি অনেকংশে পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
Image
  #textilecolorscience কোন বস্তুর কালার দেখতে হলে কমপক্ষে তিনটি উপাদান লাগবে। আলোর উৎস ব্যক্তি/ আলোকচিত্রগ্রহণযন্ত্র বস্তু কোন বস্তুর উপর আলো এসে পড়লে ঐ বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। তখনই আমরা কোন কালার দেখতে পাই। তাই, এই তিনটি উপাদানের যে কোন একটি Missing হলে আমরা আর ঐ কালার দেখতে পাবো না।
Image
  আমেরিকান আর্ট এবং পেইন্ট বিভাগের প্রফেসর মি মুনসেল সর্বপ্রথম ১৯০৫ সালে কালার বিন্ন্যাস প্রস্তাবনা করেন। তার তৈরিকৃত কালার এটলাসই এখনকার কালার Standard এর মূল ভিত্তি হিসাবে বিবেচিত হয়। তার নামনুসারে মানুষের কালার দেখার দক্ষতা যাচাইয়ের টেস্ট "Munsell Hue Test" এর নামকরণ করা হয়।
Image
  বিজ্ঞানী মুনসেল এর কালার ATLAS কে একটি Tree হিসাবে দেখানো যেতে পারে। Vertical Axis এ White to Black কালার প্রকাশ করা যায়। White to Black কালার এর Chroma জিরো। Vertical Axis থেকে যতই Circular Axis এর দিকে যাওয়া হয়, ততই উক্ত কালারের Chroma বৃদ্ধি পায়। Circular Axis এর একেক ডিগ্রি পরিবর্তনের সাথে কালারের শেড পরিবর্তন হয়।
Image
  Textile Industry তে Pantone নাম্বারের ব্যবহার বহুল পরিচিত। Buyer কিংবা Customer আমাদেরকে Pantone নাম্বার দিয়ে কালার matching করতে বলে। এই Pantone নিয়ে গড়ে উঠেছে এক বিশাল Industry. বিভিন্ন ধরনের Pantone আছে। যেমন TPX,TCX,TC,TP,C ইত্যাদি। এটি মুলত বিজ্ঞানী মুনসেল এর Color ATLAS system এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা। বর্তমান সময়ের Pantone গুলো ৬ সংখ্যার হয়ে থাকে। প্রথম দুই সংখ্যা দিয়ে কালারের Lightness/Depth-ness/Darkness কে বুঝায়। এই সংখ্যাগুলো ১১ থেকে ১৯ পর্যন্ত হয়ে থাকে। ১১ মানে লাইট, ১৯ মানে ডার্ক। পরবর্তী দুই সংখ্যা Hue/Color/Tone/Shade কে বুঝায়। এই সংখ্যা গুলো ১-৬৪ পর্যন্ত হয়। শেষের দুই সংখ্যা দ্বারা Chroma/Brightness/Saturation ইত্যাদিকে বুঝায়। একটি কালার কতটুকু উজ্জ্বল তা শেষের দুই সংখ্যা দ্বারা বুঝা যায়। এই সংখ্যা ০-৬৪ পর্যন্ত হয়।
Image
  #textilecolorscience ১. হিউ-- বলতে কালার টোন/ কালার শেড/ কালার এর নাম কে বুঝায়। যেমনঃ লাল, নীল, হলুদ ২.ক্রোমা-- বলতে উক্ত কালারের উজ্জলতা বুঝায়। যেমনঃ ব্রাইট রেড, ডাল রেড ৩. লাইটনেস- বলতে কালারের কততুকু লাইট/ ডীপ তা বুঝায়। যেমানঃ লাইট রেড, ডার্ক রেড এই তিনটি বৈশিষ্টের উপর ভিত্তি করে কালারকে নামকরন করা হয়।
Image
  #textilecolorscience কালারকে নামকরন করার জন্যে অনেক বিজ্ঞানীই কাজ করেছেন। এর মধ্যে যে মতামতটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তা হলে কালারকে তিনটি বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে নাম করন করা। সে তিনটি বৈশিষ্ট্য হল যথাক্রমে 1. হিঊ- Hue 2. ক্রোমা- Chroma 3. লাইটনেস- Lightness
Image
একটি কালারকে আমরা কতো নামেই না ডাকি! ভিন্ন ভিন্ন নামের কারনে অনেক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এই জন্যে কালারকে একটি নির্দিষ্ট নামকরন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। আরও জানতে পরবর্তী পোস্ট এ চোখ রাখুন।
Image
মানসিক স্বাস্থ্য, বয়স, দৈহিক স্বাস্থ্য ইত্যাদি পার্থক্যের কারনে একই কালার একেক মানুষ একেক রকম দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। কোন বস্তুর আকৃতি গত পার্থক্যের কারনে একই কালার হলেও ভিন্ন ভিন্ন মনে হতে পারে।